Latest Posts

আপওয়ার্ক হচ্ছে বর্তমানে সবচেয়ে বড় আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস। তাই সবারই ইচ্ছে থাকে এখানেই যাত্রা শুরু করতে। কিন্তু প্রথম যে বিষয়টি সমস্যার সৃষ্টি করে তা হচ্ছে কিভাবে বিড করতে হয় অর্থাৎ প্রপোজাল পাঠাতে হয়। যদিও কাজটি অনেক সহজ। তবে বিড করার আগেই

বর্তমানে প্রায় সব ক্ষেত্রেই ওয়েবসাইট এর প্রয়োজন বাড়ছে। কেননা খুব সহজেই ওয়েবসাইট ব্যবহার করে সবার সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি অনলাইনে পণ্য বিক্রি, ব্যবসায়িক কাজ ইত্যাদি করা যায় খুব সহজে। তাই এজন্য দিন দিন সবার মাঝে ওয়েবসাইট এর চাহিদা বৃদ্ধি

আপনার একটি ভালো ওয়েবসাইট বা ব্লগ আছে এবং আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগে অ্যাডসেন্স এর বিজ্ঞাপনও আছে। আপনি নিয়মিত কনটেন্টও (Content) তৈরি করছেন। কিন্তু ওয়েবসাইট এ সব থাকা সত্ত্বেও শুধু ভিজিটর (Visitor/Traffic) বা ব্যবহারকারী (User) নেই। এতে আপনার ওয়েবসাইটটাই বৃথা। এবং

অ্যাডসেন্স (AdSense) থেকে আয় করতে চাইলে কোন রকম একটি ওয়েবসাইট (Website) বা ব্লগ (Blog) তৈরি করে সেখানে কনটেন্ট (Content) যোগ করে দিয়ে ভিজিটর (Visitor) পাঠাতে থাকলেই সফল হওয়া যায় না। যদি আপনার ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম না হয় তবে

অনেকেই ছবি তুলতে পছন্দ করেন। শখের বশেই প্রতিনিয়তই ক্যামেরায় (Camera) ক্লিক করে যেতে থাকেন এবং অনেক অসাধারণ মুহূর্তগুলো ক্যামেরায় বন্দী করেন।  যদিও এতে অনেক সময় ও শ্রম দিতে হয় কিন্তু এর থেকে তেমন একটা আর্থিক লাভবান (Earning) হওয়ার সুযোগ পান

একজন সফল ফ্রীল্যান্সার (Freelancer) হতে হলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করা। কেননা যারা কাজ দিচ্ছে তাদের মূলতই লক্ষ্য থাকে সঠিক ও মানসম্মতভাবে তাদের কাজটি যেনো কেউ সম্পন্ন করে দেয়। এবং অবশ্যই তার জন্যই তারা অর্থ প্রদান করছে। তাই

সাধারণ ফ্রীল্যান্স প্রোফাইল (Freelance Profile) এবং আদর্শ ফ্রীল্যান্স প্রোফাইল। এই দুই ধরণের প্রোফাইলের ভিতর অনেক পার্থক্য রয়েছে। এবং সাধারণ প্রোফাইলের তুলনায় আদর্শ প্রোফাইল তুলনামূলক বেশী পরিমাণে কাজ পেয়ে থাকে। এর যথেষ্ট কারণও রয়েছে। সাধারণ প্রোফাইলঃ সাধারণ প্রোফাইল বলতে শুধু প্রোফাইল

আমরা আগের পোস্ট থেকে জানলাম মাত্র ৫ টি ব্যাপার সঠিক ভাবে মেনে চলতে পারলে অ্যাডসেন্স (AdSense) ব্যবহার করে সফল হওয়া যায়। এখন কথা হচ্ছে কিভাবে এই সূত্রটি সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে হবে এবং প্রতিটা পয়েন্ট এর কি কি ব্যবহার রয়েছে।

অ্যাডসেন্স (AdSense) ব্যবহার করা সহজ হলেও সফল হওয়া অনেক কঠিন বটে। আপনি যদি অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে থাকেন তবে এতদিনে আপনি অবশ্যই তা টের পেয়েছেন। কিন্তু কথা হচ্ছে তাহলে কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে সফল হওয়া যায়? আসলে অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে

গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense) সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি অনলাইন আয়ের মাধ্যম। তাই অনলাইনে আয় করতে আসা প্রায় সকলেই একবার গুগল অ্যাডসেন্স নিয়ে সামনে যাওয়ার চেষ্টা করেন তবে প্রথমেই তাদের হার মানতে হয়। কারণ দেখা যায় গুগল অ্যাডসেন্স বারবারই তাদের ওয়েবসাইট বাতিল

আমরা অনেকেই অ্যামাজন (Amazon) কে সবচেয়ে বড় অনলাইন স্টোর (Online Store) মনে করি। কিন্তু এটা যে অনেকটা সার্চ ইঞ্জিন গুগলের মতো কাজ করে তা আমরা অনেকেই জানি না। কিছু খুঁজতে হলে আমরা যেমন গুগলে লিখে সার্চ দেই, সেইরকম অ্যামাজন থেকে

আপওয়ার্ক থেকে অর্থ পাবার জন্য অনেকগুলো মাধ্যম রয়েছে। যেমন Paypal, Skril, Payoneer, Local Bank Transfer ইত্যাদি। তবে পেয়নিয়ার ছাড়া অন্য মাধ্যমগুলোর জন্য আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এর প্রয়োজন পড়বে। কিন্তু পেয়নিয়ার ব্যবহার করে আপনি বাংলাদেশের যেকোনো মাস্টারকার্ড (MasterCard) সাপোর্টেড বুথ থেকে

আপনি যদি না জানেন যে ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress) কি তবে ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে জানতে আমাদের আগের পোস্ট (যেসব কারণে ওয়ার্ডপ্রেস শেখা আপনার জন্য জরুরী) দেখতে পারেন। সেখানে পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে যা আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস কি তা জানতে সহায়তা করবে। ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করা তুলনা

যে কৌশলগুলো অবলম্বন করে একটি অ্যাপকে (App) অ্যাপস্টোরের (Apps Store) তালিকার উপরের দিকে নিয়ে যাওয়া যায়, সেই কৌশলগুলোর সমষ্টিকেই অ্যাপস্টোর অপ্টিমাইজেশান (Optimization) বলে। দেখা যায় যে একটি অ্যাপ অনেকবার ডাউনলোড হচ্ছে, কিন্তু আরেকটি অ্যাপ অতো বেশী ডাউনলোড হচ্ছে না শুধুমাত্র

অভিজ্ঞ ফ্রীল্যান্সাররা হাজার ব্যস্ততার মাঝেও প্রায় সবাই কোন না কোন প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং ফোরাম অথবা ব্লগে নিয়মিতভাবে সময় দেন। কিন্তু নতুন ফ্রীল্যান্সাররা বেশিরভাগ সময় এই সময় দেয়াটাকে সময়ের অপচয় মনে করে এই ধরণের ফোরাম ও ব্লগ থেকে দূরে থাকে। আসুন দেখি

ইন্টারনেটের উন্নতির সাথে সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর গুরুত্ব আগের চেয়ে বহুগুণে বেড়ে গেছে। সেই সাথে তরুণ প্রজন্মের মতামত জানতে অথবা নিজের মতামত তাদের জানাতে ব্লগিং (Blogging) এখন খুবই জনপ্রিয়। আর ব্লগিং এর জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress)।

বর্তমানে বেশীরভাগ ওয়েবসাইট ডিজাইন করা হয় ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress) সিএমএস (CMS) ব্যবহার করে। কারণ এই সিএমএসকে যেকোনোভাবে কাস্টমাইজ (Customize) করা যায়, যেকোনো ফাংশন (Function) ব্যবহার করা যায় এবং বিভিন্ন কাজের জন্য অনেক প্লাগিন (Plugin) রয়েছে যা ব্যবহার করে সহজেই একটি ওয়েবসাইট

গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense) থেকে আয় করতে সবাই চান। কিন্তু এই সোনার হরিণ বেশীরভাগ মানুষকেই কষ্ট দেয়। কেনোনা এর থেকে আয় করা একটু বেশী কষ্টকর। ফলে শুরুতেই হোঁচট খেয়ে বসে পরার ঘটনা প্রচুর ঘটে। তাই আসুন জেনে নেই অ্যাডসেন্স দিয়ে

আপনি যদি অ্যাডসেন্স (AdSense) এ নতুন অ্যাকাউন্ট করতে যান বা আপনার অ্যাকাউন্ট যদি নতুন হয় তবে অবশ্যই মাথায় রাখবেন যে আপনার পেমেন্ট এর নিরাপত্তার জন্য গুগল আপনার ঠিকানা ভেরিফাই করবে। যেহেতু গুগল (Google) পেমেন্ট করার জন্য সাধারণত চেক (Check) পাঠিয়ে থাকে