Latest Posts

অনেকেই আপওয়ার্ক (UpWork) এ কাজ করতে গিয়ে প্রথমেই পেমেন্ট (Payment) এর নিয়ম নিয়ে সমস্যা পরেন। বুঝতে একটু ঝামেলা হয় যে আপওয়ার্ক এর পেমেন্ট কিভাবে দেয়া হয় বা কখন পাওয়া যায়। তাই এই পোস্ট এ আপওয়ার্ক এর পেমেন্ট এর নিয়মগুলোই তুলে

অ্যাডসেন্স (AdSense) থেকে ভালো আয় করতে সঠিক স্থানে (Placement) অ্যাড (Ad) বসানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেনোনা যদি অ্যাডগুলো ভিজিটররা নাই দেখে বা ক্লিক করে তাহলে আয় হবে কোথা থেকে? আর কোথায় বসালে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে তা নিয়মিত পরীক্ষা নিরিক্ষা করলেই

ওয়েবসাইট থেকে অর্থ আয়ের জন্য গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense) সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হলেও একই সাথে ভয়ংকর ও বটে। অনেক সময় সাধারণ একটু ভুলের কারণেও আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হতে পারে। আবার অনেক সময় জেনে শুনে ইচ্ছেকৃত করা কিছু কাজের

অনেকেই সঠিকভাবে ইউটিউব এ অ্যাডসেন্স (AdSense) অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে সমস্যায় পরে যান। ফলে অনেক সময় ইউটিউব থেকে আয়কৃত অর্থ অ্যাডসেন্স এ যুক্ত হয় না। তাই এখানে ইউটিউব এ অ্যাডসেন্স এর জন্য অ্যাপ্লাই করা থেকে অ্যাডসেন্স যুক্ত করার নিয়মগুলো আলোচনা করা

ফ্রীল্যান্সিং এ কাজ পাবার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার হচ্ছে প্রোফাইল। যদি প্রোফাইল আপডেটেড এবং সম্পূর্ণ না হয় তবে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। বলা যায় সম্ভাবনা থাকেই না। আবার আকর্ষণীয় প্রোফাইল এর ক্ষেত্রে কাজ পাবার সম্ভাবনা ৭০% বেড়ে

অনেক কথাইতো হলো। এবার চলুন আমরা অ্যাডসেন্স (AdSense) এর জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করি। যেখানে আমরা প্রচুর ভিজিটর পাবো এবং সেই সাথে অ্যাডসেন্স থেকে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয়ও করতে পারবো। তবে এ জন্য আমাদের কয়েকটি বিষয় প্রথমেই জানতে হবে। সেটা হচ্ছে

আমরা যারা অনলাইনে কাজ করি, তাদের কাছে পেয়নিয়ার (Payoneer) মাস্টারকার্ড একটি অতি পরিচিত নাম। কিন্তু এই কার্ড পাওয়ার জন্য কিভাবে ধাপে ধাপে আবেদন করতে হবে তা আমরা অনেকেই জানি না। আসুন জেনে নেই সেই ধাপগুলো। পেয়নিয়ারের হোমপেজে (Payoneer.com) গিয়ে সাইনআপ

অনেকেই গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense) ব্যবহার করেন এবং সবসময় লক্ষ্য করেন যে এর থেকে আয় হচ্ছে অনেক কম। আবার বিজ্ঞাপনে ক্লিক ও হচ্ছে অনেক কম। অথবা প্রতি ক্লিক এ খুবই অল্প পরিমাণ আয় হচ্ছে। যা গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয়ের অনুপাতের

ব্লগ (Blog) হল তথ্য লাভের অন্যতম জনপ্রিয় ডিজিটাল উৎস। আজকাল অনেকেই ব্লগে লেখালেখি করে ভালো আয়ও করছেন। আপনার যদি মোটামুটি মানের একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট থাকে তাহলে আপনিও ব্লগে লেখালেখি করে আয় করতে পারবেন। তবে সেইসাথে আপনার যদি লেখালেখিতে ভালো

বর্তমানে সবার হাতেই স্মার্টফোন (Smart Phone) আছে। আছে হাই-রেজুলেশন (High-Resolution) ক্যামেরা। আর আছে ছবি তোলার শখ। তাই চাইলে আপনার এই শখকেই পুঁজি করে স্মার্টফোন দিয়েই ছবি তুলে আয় করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে আকর্ষণীয় এবং অসাধারণ বিষয়বস্তুতে ফোকাস করা ছবির চাহিদা

অনেকেই আছেন যারা গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense) থেকে আয় করা যায় জেনে কোন রকম একটি ওয়েবসাইট দাড় করিয়ে নেমে পড়েছেন অ্যাডসেন্স এ কিন্তু সবশেষে দেখছেন যে এর থেকে আয় (Income) হচ্ছে নগণ্য। বলা যায় কোন রকম অ্যাডসেন্স আপনাকে একটা অর্থ

এই পোস্টের প্রথম পর্ব পড়তে দেখুন > গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয়ঃ প্রথম পর্ব কিভাবে অ্যাডসেন্স থেকে আয় হবেঃ অনেকেই জানেন যে গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense) থেকে আয় হয় ক্লিক এর উপর। আসলে এই তথ্যটি যতোটা না সঠিক ততোটাই ভুল। ক্লিক

গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense), ইন্টারনেট থেকে অর্থ আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি উপায়। গুগল অ্যাডসেন্স আসলে কনটেন্ট ভিত্তিক বিজ্ঞাপন দেখানোর একটি মাধ্যম যেখানে পাবলিশার তার কনটেন্ট এর পাশাপাশি বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় করতে পারেন। এক্ষেত্রে কনটেন্ট (Content) হতে পারে ওয়েবসাইট/ব্লগ, ইউটিউব ভিডিও,

ইউটিউব থেকে আয় করা যায় তা কমবেশি সবাই জানেন। কিন্তু কিভাবে তা নিয়ে সবসময়েই প্রশ্ন থাকে। আবার অনেক সময় ভুল এবং মিথ্যে সংবাদের কারণে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে থাকেন। কিন্তু কথা হচ্ছে কোনটা সঠিক এবং কোনটা ভুল? আশা করবো এই পোস্টে

অনেকেই মাঝেমধ্যে প্রশ্ন করে থাকেন ফ্রীল্যান্সার হিসেবে কি কি কাজ করা যায় বা কি কি ধরণের কাজ রয়েছে মার্কেটপ্লেসগুলোতে। চেষ্টা করবো সেগুলোই পর্যায়ক্রমে বর্ণনা করতে। আশা করি আপনাদের কাজে আসবে। এখানে প্রধানত ক্যাটাগরি অনুযায়ী কাজগুলো বর্ণনা করা হয়েছে। প্রতিটি ক্যাটাগরিতে

ইন্টারনেট এর মাধ্যমে অর্থ আয়ের ব্যাপারে অনেক বিজ্ঞাপন দেখা যায় যেখানে বলা হয় কিছু টাকা ইনভেস্ট করার ব্যাপারে। বলা হয় ইনভেস্ট করার কিছুদিন পর তার টাকা ডাবল হয়ে যাবে বা এরকম অফার। এর থেকে দূরে থাকাই সবচেয়ে ভালো। কেনোনা এরকম

অনেকেই আছেন ইন্টারনেট থেকে আয় করতে চান। এবং মাঝেমধ্যেই কাজও পেয়ে যান। কিন্তু কিছু সাধারণ ভুলের জন্যই তারা সাধারণত সেই কাজগুলোতে ফেল করেন অর্থাৎ কাজ শেষ করতে পারেন না অথবা ক্লাইন্ট (যে কাজটি দিচ্ছে) কাজটি বাতিল করে দিয়ে থাকেন। তাই

অনেকেই হয়তোবা প্রোগ্রামিং শিখতে চান। আপনাদের অনেকেরই সেই অর্থে বেশ কিছু প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ সম্পর্কে আইডিয়াও আছে। যেমন প্রোগ্রামিং ইন সি, জাভা, সি প্লাস প্লাস, পাইথন ইত্যাদি। জানতে চান এসব প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বা ভাষা সমূহের কোনটিতে বেতন কতো হতে পারে? আজকে

কোন কাজটি শিখলে বা কোন কাজ করলে অনেক টাকা আয় করা যাবে এটা একটা প্রতিদিনের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারো কাছেই এটা ব্যাপার না যে সে কাজটি আসলেই শিখতে পারবে বা করতে পারবে কিনা। কারণ অনেকেই ধরে নেন ফ্রীল্যান্সার হিসেবে কাজ

আপওয়ার্ক বা অন্যান্য মার্কেটপ্লেসগুলোতে নতুন জবে অ্যাপ্লাই করার সময় কভার লেটার সবচেয়ে বেশী ভূমিকা পালন করে। একটি সুন্দর, ছোট এবং মার্জিত কভার লেটার জব পেতে ৯০% পর্যন্ত সহায়তা করতে পারে। আর অনেকেই কভার লেটার লিখার সময় সাধারণ কিছু ভুল করে